দুর্দান্ত বার্সেলোনার মেসি

বল দখলে দুই দলই ছিল সমানে-সমান। ইংলিশরা কোনোদিক দিয়েই ছেড়ে কথা বলেনি স্প্যানিশদের। তবে আক্রমণে তুলনামূলক বেশি ধার ছিল বার্সেলোনারই। অন্যদিকে, পাল্টা আক্রমণে লিভারপুলও ছিল ভয় ধরানো। প্রথমার্ধের শুরু থেকেই লিভারপুলকে চেপে ধরে কাতালানরা। প্রথমার্ধে গোলের সুযোগও বেশি তৈরি করেছিল স্প্যানিশ জায়ান্টরাই। প্রথমার্ধে গোলমুখে দুই দলই শট নিয়েছে ৪টি করে। তবে বার্সেলোনা দুটি শট লক্ষ্যে রাখতে পারলেও লিভারপুল পারেনি একটিও।

সুয়ারেজের অপেক্ষার প্রহর শেষ হয় ২৬ মিনিটে। জর্ডি আলবার নিচু করে বাড়ানো বলে পা ছুঁইয়ে বল জালে জড়ান বার্সেলোনার উরুগুইয়ান এই স্ট্রাইকার।

দ্বিতীয়ার্ধে গোল পরিশোধে আপ্রাণ চেষ্টা চালায় অলরেডরা। প্রথম ১৫ মিনিটেই মানে-সালাহদের তিনটি শট আটকে দেন বার্সেলোনার জার্মান গোলরক্ষক মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেন। মিনিট সাতেক পর ডি বক্সের বাইর ফাবিনহোর ফাউলের শিকার হন মেসি। ফ্রি কিক নেন মেসি নিজেই। বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন এই গোলমেশিনের গোলেই ব্যবধান বাড়ায় লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা। 

মেসির দ্বিতীয় গোলের পর রবার্তো ফিরমিনোর শট গোললাইন থেকে আটকে দেন রাকিটিচ, ফিরতি বলে শট নেন সালাহ। সেটাও ফিরে আসে পোস্টে লেগে। পাল্টা আক্রমণে গোলের সহজ সুযোগ পায় বার্সেলোনাও। কিন্তু ডেম্বেলের শিশুসুলভ ভুলে ব্যবধান আর বাড়ানো হয়ে ওঠে কাতালানদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 × one =

shares